কেমিক্যালের বদলে চেনাশোনা উপকরণ। ব্রণ থেকে ডার্ক সার্কল, যে কোনও সমস্যার সমাধান করে ফেলতে পারেন ঘরোয়া ফেসমাস্ক ব্যবহার করে।
১। অ্যাভোকাডো ফেসমাস্ক
পদ্ধতি
এক টেবিলচামচ ওট পাউডার এবং এক টেবিলচামচ স্ম্যাশ্ড অ্যাভোকাডো একসঙ্গে মিশিয়ে মুখে-গলায় ১০-১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে গেলে ক্লকওয়াইজ হালকা ম্যাসাজ করে ঠান্ডা জলে ধুয়ে ফেলুন।
উপকারিতা
শুষ্ক ত্বকের জন্য খুবই উপকারী এই মাস্ক। ময়েশ্চারাইজ করার পাশাপাশি স্ক্রাবারের কাজও করে।
পদ্ধতি
এক টেবিলচামচ ওট পাউডার এবং এক টেবিলচামচ স্ম্যাশ্ড অ্যাভোকাডো একসঙ্গে মিশিয়ে মুখে-গলায় ১০-১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে গেলে ক্লকওয়াইজ হালকা ম্যাসাজ করে ঠান্ডা জলে ধুয়ে ফেলুন।
উপকারিতা
শুষ্ক ত্বকের জন্য খুবই উপকারী এই মাস্ক। ময়েশ্চারাইজ করার পাশাপাশি স্ক্রাবারের কাজও করে।
২। হানি, কোকোনাট অয়েল ফেসমাস্ক
পদ্ধতি
এক চা-চামচ মধু, এক চা-চামচ স্ম্যাশ করা অ্যাভোকাডো এবং এক চা-চামচ নারকেল তেল মিশিয়ে মুখে এবং গলায় ভাল করে ম্যাসাজ করুন। ১০-১৫ মিনিট রেখে দিন। শুকিয়ে গেলে ঈষদুষ্ণ জলে ধুয়ে ফেলুন। টিস্যু পেপার দিয়ে হালকা করে মুখ-গলা মুছে নিন। ত্বকের অতিরিক্ত তৈলাক্ত ভাব চলে যাবে।
উপকারিতা
ত্বকের মৃত কোষ দূর করে ত্বক পরিষ্কার করে। অ্যান্টি-এজিং ট্রিটমেন্ট হিসেবে এই ফেসমাস্ক কার্যকরী। ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতেও সাহায্য করে।
পদ্ধতি
এক চা-চামচ মধু, এক চা-চামচ স্ম্যাশ করা অ্যাভোকাডো এবং এক চা-চামচ নারকেল তেল মিশিয়ে মুখে এবং গলায় ভাল করে ম্যাসাজ করুন। ১০-১৫ মিনিট রেখে দিন। শুকিয়ে গেলে ঈষদুষ্ণ জলে ধুয়ে ফেলুন। টিস্যু পেপার দিয়ে হালকা করে মুখ-গলা মুছে নিন। ত্বকের অতিরিক্ত তৈলাক্ত ভাব চলে যাবে।
উপকারিতা
ত্বকের মৃত কোষ দূর করে ত্বক পরিষ্কার করে। অ্যান্টি-এজিং ট্রিটমেন্ট হিসেবে এই ফেসমাস্ক কার্যকরী। ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতেও সাহায্য করে।
৩। এগ হোয়াইট ফেসমাস্ক
পদ্ধতি
একটা ডিমের সাদা অংশের সঙ্গে এক টেবিলচামচ পাতিলেবুর রস এবং মধু ভাল করে মেশান। মুখে লাগিয়ে রাখুন কিছুক্ষণ। শুকিয়ে গেলে ভিজে তুলো দিয়ে ধীরে ধীরে মুছে ফেলুন।
উপকারিতা
ব্রণ, র্যাশ দূর করার জন্য কার্যকরী এই মাস্ক। ত্বককে ডিটক্স করা এবং ডার্ক সার্কল কমানোর জন্যও ব্যবহার করতে পারেন এটি।
পদ্ধতি
একটা ডিমের সাদা অংশের সঙ্গে এক টেবিলচামচ পাতিলেবুর রস এবং মধু ভাল করে মেশান। মুখে লাগিয়ে রাখুন কিছুক্ষণ। শুকিয়ে গেলে ভিজে তুলো দিয়ে ধীরে ধীরে মুছে ফেলুন।
উপকারিতা
ব্রণ, র্যাশ দূর করার জন্য কার্যকরী এই মাস্ক। ত্বককে ডিটক্স করা এবং ডার্ক সার্কল কমানোর জন্যও ব্যবহার করতে পারেন এটি।
৪। ব্যানানা ফেসমাস্ক
পদ্ধতি
একটা পাকা কলা স্ম্যাশ করে নিন। তার সঙ্গে এক চা-চামচ কমলালেবুর রস এবং এক টেবিলচামচ টক দই মিশিয়ে ১০-১৫ মিনিট মুখে লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে গেলে ঈষদুষ্ণ জলে ধুয়ে ফেলুন।
উপকারিতা
ত্বক পরিষ্কার করে। আর্দ্রতা বজায় রাখে। ব্রণ দূর করার জন্যও উপকারী।
পদ্ধতি
একটা পাকা কলা স্ম্যাশ করে নিন। তার সঙ্গে এক চা-চামচ কমলালেবুর রস এবং এক টেবিলচামচ টক দই মিশিয়ে ১০-১৫ মিনিট মুখে লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে গেলে ঈষদুষ্ণ জলে ধুয়ে ফেলুন।
উপকারিতা
ত্বক পরিষ্কার করে। আর্দ্রতা বজায় রাখে। ব্রণ দূর করার জন্যও উপকারী।
৫। কফি-কোকো ফেসমাস্ক
পদ্ধতি
চার টেবিলচামচ কোকো পাউডার, চার টেবিলচামচ কফি, দুই চা-চামচ মধু এবং আট টেবিলচামচ দুধ একসঙ্গে মেশান। মুখ এবং গলায় অন্তত ১০ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। এরপর ঠান্ডা জলে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
উপকারিতা
তৈলাক্ত ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। অতিরিক্ত তৈলাক্ত ভাব দূর করে ত্বককে উজ্জ্বল করে। এছাড়া চোখের তলার কালি দূর করতেও সাহায্য করে। মুখের আর্দ্রতা এবং কোমলতা বজায় রাখে এই ফেসমাস্ক।
পদ্ধতি
চার টেবিলচামচ কোকো পাউডার, চার টেবিলচামচ কফি, দুই চা-চামচ মধু এবং আট টেবিলচামচ দুধ একসঙ্গে মেশান। মুখ এবং গলায় অন্তত ১০ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। এরপর ঠান্ডা জলে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
উপকারিতা
তৈলাক্ত ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। অতিরিক্ত তৈলাক্ত ভাব দূর করে ত্বককে উজ্জ্বল করে। এছাড়া চোখের তলার কালি দূর করতেও সাহায্য করে। মুখের আর্দ্রতা এবং কোমলতা বজায় রাখে এই ফেসমাস্ক।

Post a Comment